বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বানারীপাড়া উপজেলার চৌয়ারীপাড়া এলাকায় ইউপি সদস্য আ. জলিল খানের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও তিনি বহাল রয়েছেন—এ নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিরোধী মত দমনে সক্রিয় ছিলেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময় চৌয়ারীপাড়ায় ভিন্নমত প্রকাশ ছিল কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ।
৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তন এলে আ. জলিল খান নতুন কৌশলে সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। অভিযোগ আছে, কিছু প্রভাবশালী ও অসাধু বিএনপি নেতার সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে তিনি ইউপি সদস্য পদে বহাল থাকতে সক্ষম হয়েছেন।
সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়ার লক্ষ্যে তার একাধিক বৈঠক ও যোগাযোগের খবর এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি আদর্শিক পরিবর্তনের চেয়ে আত্মরক্ষামূলক কৌশল বেশি। ক্ষমতার কেন্দ্র বদলালেও নিজেকে নিরাপদ রাখতে তিনি নতুন রাজনৈতিক ছাতার নিচে আশ্রয় নিতে চাইছেন।
চৌয়ারীপাড়ার সাধারণ মানুষ বলছেন, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ছাড়া এক দল থেকে আরেক দলে যাওয়া স্থানীয় গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। তাদের মতে, যিনি একসময় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, তার বিরুদ্ধে জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন—নতুন ব্যানারে পুরোনো চর্চা নয়।
Leave a Reply